February 14, 2026
খবরের কাগজ
ব্যবসায়ীদের প্রত্যাশার চাপে পড়বে সরকার
মোটা দাগে দেশের অর্থনীতি বিপর্যস্ত। তাই নির্বাচিত সরকারের কাছে ব্যবসায়ীদের প্রত্যাশা অনেক। দায়িত্ব গ্রহণের পরই বিনিয়োগ বাড়াতে এবং শিল্পের বাজার সম্প্রসারণে জরুরিভাবে পদক্ষেপ গ্রহণের পরামর্শ দিয়েছেন তারা। শ্রম আইন সংশোধন, ব্যবসাবান্ধব রাজস্ব নীতি প্রণয়ন, ব্যাংক খাতে অস্থিরতা ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতা দূর করার কথা বলেছেন। পুঁজিবাজারে আস্থা ফিরিয়ে আনার সুপারিশও করেছেন তারা।মোটা দাগে দেশের অর্থনীতি বিপর্যস্ত। তাই নির্বাচিত সরকারের কাছে ব্যবসায়ীদের প্রত্যাশা অনেক। দায়িত্ব গ্রহণের পরই বিনিয়োগ বাড়াতে এবং শিল্পের বাজার সম্প্রসারণে জরুরিভাবে পদক্ষেপ গ্রহণের পরামর্শ দিয়েছেন তারা। শ্রম আইন সংশোধন, ব্যবসাবান্ধব রাজস্ব নীতি প্রণয়ন, ব্যাংক খাতে অস্থিরতা ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতা দূর করার কথা বলেছেন। পুঁজিবাজারে আস্থা ফিরিয়ে আনার সুপারিশও করেছেন তারা। বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজের (বিসিআই) সভাপতি আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী পারভেজ খবরের কাগজকে বলেন, দেশের অর্থনীতি খারাপ সময় পার করছে। শিল্প খাতে ধস নেমেছে। নতুন শিল্প গড়ে উঠছে না। বিনিয়োগ নেই বললেই চলে। বেসরকারি খাত ভালো নেই। বেসরকারি ঋণ প্রবাহে গতি নেই। সেই ৬ শতাংশে আটকে আছে। তাই ব্যবসায়ীরা আয় করতে না পারলে রাজস্ব পরিশোধ করবেন কিভাবে? ফলে রাজস্ব আদায়ে ঘাটতি বাড়ছে। মূল্যস্ফীতি কমছে না।
The New Age
Businesses hope new govt will boost trade
The country’s businesses expressed optimism that the transition to a political government would boost confidence among local and foreign investors and buyers following the Bangladesh Nationalist Party’s decisive victory in the 13th national election. They also stated that the formation of a political government would provide a predictable environment for trade, particularly following a period when investor confidence has been fragile and buyers went a ‘go slow’ policy. Shams Mahmud, president of the Bangladesh-Thai Chamber of Commerce and Industry, said that the BNP’s victory with an absolute majority would help bring stability to the government.Anwar-Ul Alam Chowdhury (Parvez), president of the Bangladesh Chamber of Industries, said that the business community was largely relieved following the completion of the national poll.
প্রথম আলো
বাংলাদেশের মতো ভারতও যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানিতে শুল্ক সুবিধা পাবে: ভারতের বাণিজ্যমন্ত্রী
বাংলাদেশের পোশাক খাতের মতো ভারতের পোশাক ও বস্ত্র খাতও মার্কিন বাজারে বিশেষ সুবিধা পাবে—এমন সম্ভাবনা আছে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি হয়ে গেলে এই সুবিধা পাবে ভারত। বিষয়টি হলো মার্কিন সুতা ও কৃত্রিম তন্তু ব্যবহার করে তৈরি পোশাকের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ শুল্কসুবিধা পাবে। সেই একই সুবিধা ভারতও পেতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গয়াল। খবর এনডিটিভি।
দেশ রুপান্তর
নতুন সরকারের যত চ্যালেঞ্জ
বাংলাদেশের অর্থনীতিকে স্থিতিশীল ও টেকসই প্রবৃদ্ধির পথে নিতে আগামী সরকারকে একাধিক কঠিন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে বলে মনে করছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। শিল্প ও ব্যবসা সচল করা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, ব্যাংকিং খাত সংস্কার এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বাড়ানোসহ আর্থিক খাতের নানা বিষয়কে ভবিষ্যতের বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন অর্থ উপদেষ্টা।গতকাল মঙ্গলবার সচিবালয়ে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব চ্যালেঞ্জের কথা জানান তিনি।
আজকের পত্রিকা
রমজানে ব্যাংকিং লেনদেন সকাল সাড়ে ৯টা থেকে আড়াইটা পর্যন্ত
পবিত্র রমজান মাসে দেশের সব তফসিলি ব্যাংকের জন্য অফিস সময়সূচি নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন সময় অনুযায়ী রমজান মাসে লেনদেন হবে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বেলা আড়াইটা পর্যন্ত। আর অফিস চলবে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংকের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
দৈনিক আমাদের সময়
নির্বাচিত সরকারের সামনে অর্থনীতিতে কঠিন পরীক্ষা
চলতি সপ্তাহেই রাষ্ট্রের দায়িত্ব নিতে যাচ্ছে নবনির্বাচিত সরকার। কিন্তু দায়িত্ব গ্রহণের মুহূর্তে দেশের অর্থনীতির চিত্র মোটেও স্বস্তিদায়ক নয়। উচ্চ মূল্যস্ফীতি, রাজস্ব ঘাটতি, বিনিয়োগে স্থবিরতা, বেকারত্ব, অস্বাভাবিক খেলাপি ঋণ ও দুর্বল ব্যাংকিং খাত- সব মিলিয়ে অর্থনীতি নানা সংকটে জর্জরিত। অর্থনীতিবিদ ও সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই পরিস্থিতিতে অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা ফেরানোই হবে নতুন সরকারের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।তাদের মতে, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, দুর্বল রাজস্ব ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, বিনিয়োগে গতি ফেরানো এবং ব্যাংক খাতের সংস্কার- এসব ক্ষেত্রে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। একই সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের শুরু করা সংস্কার কার্যক্রমও অব্যাহত রাখতে হবে।