February 16, 2026
নয়াদিগন্ত
ব্যবসায়ীদের প্রত্যাশার চাপে নতুন সরকার
তৈরী পোশাকশিল্পের মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবু বলেন, বেসরকারি খাতে আস্থা ফেরাতে প্রথম কাজ হওয়া উচিত আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন ও ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা। তার মতে, ব্যবসা সহজীকরণে আমূল সংস্কার প্রয়োজন। লাইসেন্স, অনুমোদন ও কাস্টমস প্রক্রিয়া সহজ না হলে এবং সরবরাহ চেইন উন্নত না হলে উৎপাদন ব্যয় কমবে না। জ্বালানি সরবরাহে স্থিতিশীলতা ও ব্যাংকিং খাতে সংস্কার ছাড়া বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়ানো সম্ভব নয়। তিনি মনে করেন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে পারলে উদ্যোক্তারা দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগে আগ্রহী হবেন।
আজকের পত্রিকা
ইইউতে পোশাকের দামে পতন
২০২৫ সালে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) বাজারে বৈশ্বিক তৈরি পোশাকের একক দাম আশঙ্কাজনকভাবে কমেছে। এই সময়ে ইউরোজোনে পোশাকের সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায়, দেশগুলোর প্রতিযোগিতা তীব্র হওয়ায়, ক্রেতারা দামে কড়াকড়ি রাখায় এবং উচ্চমূল্যের পণ্যের অভাব থাকায় দাম হ্রাস পেয়েছে। বিজিএমইএর পরিচালক ফয়সাল সামাদ বলেন, ‘উচ্চমূল্যের পোশাকের ক্রেতা ধরতে বাংলাদেশের প্রস্তুতি যথেষ্ট নয়। উৎপাদন ব্যয়, অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা ও নানা চাপে আমরা জর্জরিত। ফলে পরিমাণ বাড়লেও সেই অনুযায়ী আয় বাড়ানো যাচ্ছে না।’ একই সংগঠনের সাবেক পরিচালক মহিউদ্দিন রুবেল বলেন, ‘বাজার অংশীদারত্ব ধরে রাখতে আমরা পরিমাণ বৃদ্ধির মাধ্যমে সক্ষম হলেও একক মূল্য হ্রাস রপ্তানি আয়ে চাপ তৈরি করছে। বিশেষ করে বছরের শেষভাগে নিম্নমুখী প্রবণতা আমাদের সতর্কবার্তাই দিচ্ছে।’
বাংলাদেশ প্রতিদিন
নতুন সরকারের কঠিন পথ : আশাবাদ নিয়ে তাকিয়ে ব্যবসায়ীরা
আসন্ন রাজনৈতিক সরকারের দিকে আশাবাদ নিয়ে তাকিয়ে আছেন দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ীরা। তাঁদের বিশ্বাস, চলমান রাজনৈতিক পরিবর্তন দেশিবিদেশি বিনিয়োগকারী ও আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের আস্থা পুনরুদ্ধারে সহায়ক হবে। তবে একই সঙ্গে তাঁরা অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের সামনে থাকা বড় চ্যালেঞ্জগুলোর কথাও তুলে ধরছেন। ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সাবেক সভাপতি শামস মাহমুদ বলেন, নির্বাচনের শান্তিপূর্ণ আয়োজন ও বিপুল ভোটার উপস্থিতি ব্যবসায়ী মহলে ইতিবাচক বার্তা দিয়েছে। দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করবে এবং প্রয়োজনীয় সংস্কার বাস্তবায়নে সরকারকে সক্ষম করবে। বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী (পারভেজ) বলেন অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ায় কয়েক মাসের অনিশ্চয়তার পর ব্যবসায়ী মহলে স্বস্তি ফিরেছে। নির্বাচনের এই ফলাফল আন্তর্জাতিক বাণিজ্য অংশীদারদের আস্থা পুনরুদ্ধার করবে এবং বিদেশে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উন্নত করবে।
জাগোনিউজ২৪
এমপি পদে বিজয়ী ১৭৪ ব্যবসায়ী, পোশাক খাতের অন্তত ১৫ জন
ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে সংসদ সদস্য (এমপি) পদে বিজয়ীদের মধ্যে ১৭৪ জন বা ৫৯ শতাংশই ব্যবসায়ী। তাদের মধ্যে পোশাক শিল্প-মালিক ও সংশ্লিষ্ট পরিবারের সদস্য আছেন অন্তত ১৫ জন। হলফনামার তথ্য পর্যালোচনা ও বিভিন্ন সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
যুগান্তর
বিনিয়োগে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা
সরকারের নীতিমালা অনুযায়ী যে কোনো বেসরকারি কোম্পানি দেশের যে কোনো জায়গায় সৌর প্যানেল বসিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারবে। এছাড়া ওই প্রতিষ্ঠান সরকারি বিতরণ বা সঞ্চালন লাইন দিয়ে অন্য এলাকায় তার কারখানা বা অন্য কোনো গ্রাহককে সেই বিদ্যুৎ দিতে পারবে। কিন্তু ওই বিতরণ বা সঞ্চালন লাইন ব্যবহারের জন্য কত হুইলিং চার্জ দিতে হবে, তা চূড়ান্ত হয়নি। তবে এজন্য বিতরণ বা সঞ্চালন কোম্পানি প্রতি ইউনিটের জন্য ২ টাকা ৪৮ পয়সা পর্যন্ত প্রস্তাব করেছে বিদ্যুৎ বিভাগে। তবে হুইলিং চার্জ অস্বাভাবিক হলে তা বিনিয়োগে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
Dhaka Tribune
Bangladesh’s RMG exports to EU suffer setback
Industry insiders say European retailers focus on inventory adjustments in the final quarter of the year. Reduced post-festival sales and consumer spending restraint affected the situation. As a result, price pressure on new orders increased. In this regard, former BGMEA director Mohiuddin Rubel told Dhaka Tribune: “Overall imports in the EU market have increased, but competition has intensified due to price declines. In Bangladesh’s case, although volume increased, actual earnings did not grow as expected because unit prices declined. The December downward trend is a warning—we must now focus more on higher-value products, skill development, and market diversification.”
দ্যা বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড
চাহিদা হ্রাস ও প্রতিযোগিতার মুখে ইউরোপের বাজারে বাংলাদেশের পোশাকের দাম কমেছে প্রায় ৪ শতাংশ
বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের সবচেয়ে বড় বাজার ইউরোপীয় ইউনিয়নে (ইইউ) ২০২৪ সালের তুলনায় ২০২৫ সালে পোশাকের ইউনিট প্রাইস ৩.৮৪ শতাংশ কমেছে। ইউরোপের বাজারে চাহিদায় মন্দা এবং চীন ও ভারতের মতো প্রধান রপ্তানিকারক দেশগুলোর সঙ্গে তীব্র প্রতিযোগিতার ফলে এই দরপতন ঘটেছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রে শুল্ক বাধা বেড়ে যাওয়ায় অনেক দেশ সেখানে পণ্য পাঠাতে না পেরে ইউরোপের বাজারে ঝুঁকছে। মূলত এ কারণেই ইউরোপীয় বাজারে পোশাকের সরবরাহ বেড়ে গেছে এবং দাম কমেছে।
কালেরকন্ঠ
দেশের তৈরি পোশাকের দাম ৪% কমেছে ইউরোপে
ইউরোপের বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের রপ্তানি বেড়েছে, তবে গড় বিক্রয়মূল্য কমায় এ খাতের মুনাফা সংকুচিত হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চাহিদা না বাড়ায় এবং আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা তীব্র হওয়ায় গত বছর ইউনিট প্রাইস প্রায় ৪ শতাংশ কমেছে। ইউরোস্ট্যাটের তথ্যে দেখা গেছে, ইইউতে ২০২৪ সালে বাংলাদেশ থেকে এক হাজার ৮৩২ কোটি ইউরোর পোশাক রপ্তানি হয়, যা ২০২৫ সালে বেড়ে এক হাজার ৯৪১ কোটি ইউরোতে পৌঁছে। রপ্তানি আয় প্রায় ৬ শতাংশ বেড়েছে।
আমাদের সময়
রপ্তানি আয়ে গতি কম, বাড়ছে বাণিজ্য ঘাটতি
রপ্তানি আয়ের গতি কমে যাওয়ায় আবারও চাপের মুখে পড়েছে দেশের বৈদেশিক বাণিজ্য পরিস্থিতি। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) বাণিজ্য ঘাটতি বেড়েছে প্রায় ১৮ দশমিক ৩৪ শতাংশ। একই সময়ে বৈদেশিক লেনদেনের চলতি হিসাবও ঘাটতিতে রয়েছে। তবে বিদেশি বিনিয়োগ, দাতা সংস্থার সহায়তা ও বেসরকারি খাতের বিদেশি ঋণের প্রবাহ বাড়ায় আর্থিক হিসাবে বড় উদ্বৃত্ত তৈরি হয়েছে। ফলে সামগ্রিক লেনদেন ভারসাম্যেও ইতিবাচক অবস্থান দেখা যাচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, টানা ছয় মাস রপ্তানি আয় কমেছে। অন্যদিকে আসন্ন রমজানকে সামনে রেখে আমদানি ব্যয় বেড়েছে, যা বাণিজ্য ঘাটতি বৃদ্ধিতে ভূমিকা রেখেছে।