BGMEA DAILY DIGEST
News published in media related to RMG: Today’s RMG News

February 19, 2026

uploads/trade_daily/digest_photo_bonik__1771477828.jpg
বণিক বার্তা
নতুন সরকার স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের সময়সীমা পিছিয়ে দেয়ার উদ্যোগ নেবে বলে জানিয়েছেন নতুন বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেন, ‘এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন ডেফার করার জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের পদক্ষেপ নেয়া হবে। এ বিষয়ে নতুন সরকার এরই মধ্যে কাজ শুরু করেছে।’মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর গতকাল সচিবালয়ে প্রথম কার্যদিবসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম ও বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
uploads/trade_daily/digest_photo_WhatsApp_Image_2026-02-19_at_3.38.09_PM__1771493955.jpeg

আমাদের সময়
অর্থনীতি বাঁচাতে প্রয়োজন হয়রানিমুক্ত পরিবেশ তৈরি পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবু বলেন, নতুন সরকারের প্রথম কাজ হওয়া উচিত দেশের আইনশৃঙ্খলা ঠিক করার পাশাপাশি ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা। তার মতে, ব্যবসা সহজীকরণে আমূল সংস্কার প্রয়োজন। লাইসেন্স, অনুমোদন ও কাস্টমস প্রক্রিয়া সহজ না হলে এবং সরবরাহ চেইন উন্নত না হলে উৎপাদন ব্যয় কমবে না। জ্বালানি সরবরাহে স্থিতিশীলতা ও ব্যাংকিং খাতে সংস্কার ছাড়া বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়ানো সম্ভব নয়। বিজিএমইএর সভাপতি নতুন সরকারের কাছে ২০৩০ সালের মধ্যে পোশাক রপ্তানি ১০০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার জাতীয় লক্ষ্য অর্জনে সরকারের পূর্ণ সহযোগিতার প্রত্যাশা করেন। একই সঙ্গে ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ ব্র্যান্ডকে বিশ্ববাজারে শ্রেষ্ঠত্বের প্রতীক হিসেবে প্রতিষ্ঠার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

uploads/trade_daily/digest_photo_WhatsApp_Image_2026-02-19_at_9.50.55_AM__1771477828.jpeg

প্রথম আলো
এলডিসি থেকে উত্তরণ পেছানোর উদ্যোগ বাণিজ্যমন্ত্রীর, আছে ভিন্নমতও আট বছরের প্রক্রিয়া ও মূল্যায়নের পর জাতিসংঘের সিদ্ধান্ত হচ্ছে, আগামী ২৪ নভেম্বর স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে বের হয়ে আসবে বাংলাদেশ। সেটি হতে যখন আর আট মাস বাকি, তখন নতুন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদীর দায়িত্ব নেওয়ার প্রথম দিনই বলে দিলেন, এ উত্তরণ বিলম্বিত (ডেফার) করার জন্য সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে। বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, এলডিসি থেকে উত্তরণ বিলম্বিত করতে যা যা করা দরকার, সবই করা হবে। বুধবার থেকেই বাণিজ্য মন্ত্রণালয় কাজ শুরু করেছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সঙ্গে দ্রুত সমন্বয় করে উত্তরণ বিলম্বিত করার কাজ এগিয়ে নেওয়া হবে।

uploads/trade_daily/digest_photo_WhatsApp_Image_2026-02-19_at_10.35.54_AM__1771477828.jpeg

জাগো নিউজ২৪
অর্থনীতি চাঙা করতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ-গ্যাস চান ব্যবসায়ীরা অর্থনীতিকে গতিশীল ও ব্যবসায়ীদের আস্থা পুনঃস্থাপনে কয়েকটি পদক্ষেপ জরুরি। গ্যাস-বিদ্যুতের সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন রাখা প্রয়োজন। বাংলাদেশ ব্যাংক ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সংস্কার কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। অর্থের প্রবাহ সহজতর নিশ্চিত করা দরকার। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতির পদক্ষেপ দেখতে চায় ব্যবসায়ী সমাজ। বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি আনোয়ারুল আলম চৌধুরী পারভেজ বলেন, ‘আমরা ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে আশা করি নতুন সরকার উদ্যোক্তাদের প্রকৃত সম্মান দেবে। দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নত করবে। বর্তমানে অর্ডারের পরিস্থিতি কঠিন। কিছু ব্যবসায়িক চর্চা সংস্কারের প্রয়োজন। যেমন- ব্যাংকগুলো বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশিত কনস্ট্রাকশন পলিসি অনুসরণ করলেও ব্যবসা করা এখনো কঠিন।’বিজিএমইএ পরিচালক ফয়সাল সামাদ বলেন, ‘বর্তমানে পোশাক শিল্পের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকট। অনেক কারখানা পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদন করতে পারছে না। তাই স্বল্পমেয়াদি হলেও নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকারকে দ্রুত কার্যকর সমাধান দিতে হবে। দীর্ঘমেয়াদে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা গেলে শিল্পখাত আরও দ্রুত সম্প্রসারণ সম্ভব।’

uploads/trade_daily/digest_photo_WhatsApp_Image_2026-02-19_at_10.55.01_AM__1771477828.jpeg

সমকাল
অর্থনীতিতে স্বস্তি আনার চাপে নতুন সরকার অর্থনীতিবিদ ও ব্যবসায়ীরা বলছেন, সরকারের প্রথম কাজ হবে রমজানে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখা। এটিই ‘টেস্ট কেস’। দেশে বিনিয়োগ স্থবির। ব্যবসায়ীরা অনিশ্চয়তায়। জ্বালানি ও বিদ্যুতের নিরাপত্তা না থাকা বিনিয়োগে বড় বাধা। ব্যাংকে সুদের হার বাড়ায় বিনিয়োগের খরচ আরও বেড়েছে। পুরো ব্যবসায় পরিবেশে বিরাজ করছে অনিশ্চয়তা। ফলে রপ্তানি প্রবৃদ্ধি শ্লথ। পোশাক খাতের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা ঝুঁকি বাড়িয়েছে। বাজারে বৈচিত্র্য বাড়েনি। যুক্তরাষ্ট্রের আরোপ করা ‘পাল্টা শুল্ক’ ব্যবস্থার চাপ কমাতে অন্তর্বর্তী সরকার সে দেশের সঙ্গে যে বাণিজ্য চুক্তি করে গেছে, তার প্রভাব মূল্যায়নের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে। এলডিসি থেকে উত্তরণের চ্যালেঞ্জ তো আছেই।

uploads/trade_daily/digest_photo_ajker__1771477828.jpg

আজকের পত্রিকা
ইইউ-ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি বাংলাদেশের পোশাকশিল্পকে কতটা চাপে ফেলবে বাংলাদেশ কাপড়ের জন্য ব্যাপকভাবে অন্যান্য দেশের ওপর নির্ভরশীল, যার মধ্যে ভারতও আছে। ফলে জিএসপি প্লাসের কঠোর উৎস নিয়ম পূরণে সমস্যা হতে পারে ঢাকার জন্য। বাংলাদেশ অবশ্যই এই শর্ত শিথিল করতে আলোচনা চালাবে। ইতিহাস বলছে, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ডাবল ট্রান্সফরমেশন মানদণ্ডে সাধারণত কঠোর অবস্থান ধরে রেখেছে। ভবিষ্যতেও যদি তারা সেই অবস্থান বজায় রাখে, তবে বাংলাদেশ বড় অসুবিধায় পড়বে। যদি প্রতিযোগিতা কেবল দামের ভিত্তিতে হয়, তবে বাংলাদেশ বাজার হারাতে পারে। কিন্তু যদি তাদের প্রধান শক্তি হয় সরবরাহ শৃঙ্খলের দক্ষতা ও সমন্বয়, তবে বেশি শুল্কের মধ্যেও তারা প্রাধান্য ধরে রাখতে পারে।