March 18, 2026
The Dhaka Tribune
The actual impact of US trade scrutiny on Bangladesh
Mahmud Hasan Khan, president of the Bangladesh Garment Manufacturers and Exporters Association (BGMEA), said Bangladesh’s inclusion in the investigation list may be uncomfortable but does not necessarily signal major risks. He believes such investigations are part of Washington’s broader strategy to protect domestic industries. Bangladesh’s main export to the United States is ready-made garments, a product that is not produced there in large volumes. However, he noted that since the investigation has begun, relevant government agencies should prepare in advance and respond with necessary data and information.
The Financial Express
RMG exports on downturn to all major destinations
Talking to the FE writer, Inamul Haq Khan, vice president of Bangladesh Garment Manufacturers and Exporters Association (BGMEA), said the rising cost of living due to high inflation forced consumers to prioritise essential needs over clothing purchases. "And following the slow demand, buyers are also purchasing less." The Russia-Ukraine war, US tariffs, trade tensions have eaten up demand while Iran war's impact is severe, he said, adding that negative growth might continue for next six months. He notes that India and Bangladesh are affected much while Vietnam and Cambodia are doing better despite all the challenges. He, however, says the local currency is depreciating against the US dollar which is not 'bad'.
আজকের পত্রিকা
যুক্তরাষ্ট্রের বাজার: পোশাকের দাম কমেছে ২.৬%
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এককভাবে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের প্রধান রপ্তানি গন্তব্য। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে এই বাজারে পরিস্থিতি উদ্বেগজনক—রপ্তানির পরিমাণ কিছুটা বেড়েছে, তবে আগের মতো আয় বৃদ্ধি পাচ্ছে না। এর মূল কারণ হলো দেশটির ক্রেতারা বাংলাদেশের প্রতি ইউনিট পোশাকের দাম ২ শতাংশের বেশি কমিয়ে দিয়েছে। ফলে পণ্যের পরিমাণ বাড়লেও মূল্য কমে যাওয়ার কারণে রপ্তানির মোট আয় আগের মতো রাখতে পারছে না। এই ধারা দেশের সামগ্রিক রপ্তানি চিত্রে মিশ্র সংকেত তৈরি করেছে এবং রপ্তানি আয়ের ধারাবাহিকতাকে এখন চাপের মুখে ফেলেছে। বিজিএমইএর সাবেক পরিচালক মহিউদ্দিন রুবেল বলেন, কম্বোডিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ভিয়েতনাম ও বাংলাদেশের ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে ইউনিট মূল্য কমলেও রপ্তানির পরিমাণ বেড়েছে। এটি ইঙ্গিত করে, কম দামের কারণে যুক্তরাষ্ট্র এসব দেশ থেকে বেশি পরিমাণে পণ্য নিচ্ছে। বিপরীতে চীন ও ভারতের ক্ষেত্রে ইউনিট মূল্য ও রপ্তানি—দুটিই কমেছে, যা বাজারে তাদের অবস্থানের পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়।
কালের কন্ঠ
মার্কিন বাজারে তীব্র প্রতিযোগিতা শীর্ষে ভিয়েতনাম ও বাংলাদেশ
যুক্তরাষ্ট্রের পোশাকের বাজারে প্রতিযোগিতা ক্রমেই তীব্র হচ্ছে। সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে দেশটির মোট পোশাক আমদানি দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬২.২ বিলিয়ন ডলার (ছয় হাজার ২২০ কোটি ডলার)। এই বাজারে সর্বোচ্চ অংশীদারি ধরে রেখে শীর্ষে রয়েছে ভিয়েতনাম, আর দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন অটেক্সা, যা যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সটাইল ও পোশাক খাতসংক্রান্ত সরকারি আমদানি-রপ্তানি পরিসংখ্যান, বাজার বিশ্লেষণ এবং বাণিজ্য তথ্য প্রকাশ করে।
The New Age
RMG exports to US decline by 1pc in January: Otexa
Mohiuddin Rubel, former director of the Bangladesh Garment Manufacturers and Exporters Association, said that exports declined as US buying from its global suppliers has been curbed significantly. He said Bangladesh should focus on value-added products and resolve domestic issues to sustain in the US market. ‘We should find diversified destinations and proper research, development, and innovation aligning the demands,’ he added. He also said that if the ongoing Middle East crisis prolongs, the exports would face further hurdles.
জাগো নিউজ২৪
আমদানিকারকের নামে শিপিং ডকুমেন্ট ইস্যুর অনুমোদন
দেশীয় রপ্তানিকারকদের জন্য নতুন সুবিধা চালু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে সর্বোচ্চ ১ লাখ মার্কিন ডলার পর্যন্ত পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে পরিবহন বা শিপিং ডকুমেন্ট সরাসরি বিদেশি আমদানিকারকের নামে ইস্যু করে পাঠানো যাবে। এ বিষয়ে সোমবার একটি সার্কুলার জারি করে দেশের সব ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সার্কুলারে বলা হয়েছে, বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনে অনুমোদিত ডিলার (এডি) ব্যাংকগুলো রপ্তানিকারকদের পক্ষে বিদেশি আমদানিকারক বা তাদের অনুমোদিত অন্য কোনো পক্ষের নামে শিপিং ডকুমেন্ট প্রস্তুত করতে পারবে। নতুন এই ব্যবস্থার ফলে রপ্তানিকারকরা ডকুমেন্ট সরাসরি আমদানিকারক বা তাদের মনোনীত পক্ষের কাছে পাঠাতে পারবেন। তবে রপ্তানি আয় নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দেশে প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সুরক্ষামূলক ব্যবস্থা রাখার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।
প্রথম আলো
মধ্যপ্রাচ্য সংকট : বড় ঝুঁকিতে দেশের ৫৮০ রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান
রপ্তানিকারক ও গবেষকেরা বলছেন, বাংলাদেশের অনেক রপ্তানিকারক প্রথমে প্রতিবেশী ভারতসহ দক্ষিণ এশিয়ার বাজারে পণ্য পাঠিয়ে অভিজ্ঞতা অর্জন করেন। পরে তাদের রপ্তানির প্রধান গন্তব্য হয়ে ওঠে মধ্যপ্রাচ্যের বাজার। এরপর সক্ষমতা আরও বাড়লে তারা ইউরোপ ও আমেরিকার বড় বাজারে প্রবেশ করেন। গত বছর ভারতের বিধিনিষেধে ছোট রপ্তানিকারকেরা একবার বড় ঝুঁকিতে পড়েছিলেন। সেই ধাক্কা কাটিয়ে ওঠার আগেই মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান সংকট তাদের জন্য নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে।
সমকাল
রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণে বিশেষ নজর দিতে হবে
বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে সম্পাদিত অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (ইপিএ) কেবল দুই দেশের বাণিজ্যিক শুল্ক কমানোর একটি মাধ্যম নয়, বরং এটি উভয় দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহজ করার একটি কাঠামো। চুক্তির সুফল পেতে বাংলাদেশকে গুণগত নীতির বাস্তবায়ন করতে হবে। রপ্তানি বাড়াতে পণ্যের গুণগত মানের ওপর জোর দিতে হবে। তৈরি পোশাকের মতো অন্য পণ্যের দিকে বিশেষ নজর দিতে হবে। গত ৬ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ ও জাপান অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি সই করে। চুক্তির সুফল বাংলাদেশ কীভাবে পেতে পারে, সে বিষয়ে জাপান দূতাবাসের সহায়তায় গতকাল সোমবার রাজধানীর বারিধারায় জাপান দূতাবাসে গবেষণা সংস্থা সিপিডি সেমিনারের আয়োজন করে।
সময়ের আলো
যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রফতানি ও মূল্য কমছে
একক দেশ হিসেবে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের বৃহত্তম বাজার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। অথচ এই বাজারে বাংলাদেশের পোশাক রফতানির পরিমাণ যেমন কমছে তেমনি দেশটিতে রফতানিকৃত পোশাকের মূল্যও কমছে। যেমন গত বছরের জানুয়ারি মাসের চেয়ে চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের পোশাক রফতানি কমেছে শূন্য দশমিক ৯০ শতাংশ।
আমার দেশ
ইরান যুদ্ধে সংকটে দেশের রপ্তানি বাণিজ্য
মধ্যপ্রাচ্যে ইরানকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে চলমান সংঘাত অনিশ্চয়তায় ফেলেছে বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্য। আকাশসীমা বন্ধ, হরমুজ প্রণালিতে অস্থিরতা এবং আন্তর্জাতিক শিপিং খাতে অতিরিক্ত চার্জ আরোপের কারণে পণ্য পরিবহন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এতে কৃষিপণ্য, তৈরি পোশাক, হিমায়িত খাদ্যসহ বিভিন্ন রপ্তানি খাতের উদ্যোক্তারা ক্ষতির মুখে পড়েছেন। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে দেশের বৈদেশিক বাণিজ্যে বড় ধরনের চাপ তৈরি হতে পারে।