June 13, 2026
বণিক বার্তা
বাস্তবায়ন করতে পারলে ব্যবসার জন্য সহায়ক হবে—মাহমুদ হাসান খান, সভাপতি, বিজিএমইএ
তিন বছর পরে কী পরিবর্তন হবে, পাঁচ বছর পরে কী হবে, সে ধরনের পূর্বাভাসও কিছু ক্ষেত্রে দেয়া হয়েছে। নির্দিষ্ট সাল পর্যন্ত কোন সুবিধা থাকবে, কোনটা পাঁচ বছর পর্যন্ত থাকবে, সেটাও উল্লেখ করা হয়েছে। কেউ যদি ব্যবসায়িক পরিকল্পনা করতে চায়, তাহলে এটা ভালো। আগে যেটা ছিল, প্রতি বছরই পরিবর্তন হয়ে যেত। এ দুটি জিনিস ভালো হয়েছে।আমাদের যে প্রণোদনা বাড়ানোর কথা ছিল, সেটা বাড়েনি। দ্বিতীয় বিষয় হলো, প্রণোদনার ওপর যে কর নেয়া হয়, সেটা অব্যাহতি দেয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেটা অর্ধেক অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। অর্থাৎ ১০ শতাংশ করের জায়গায় এখন ৫ শতাংশ নেয়া হবে। এটা খুব বড় উদ্বেগের জায়গা না। তবে আমাদের প্রত্যাশা ছিল পুরোপুরি শূন্য করা হবে। আমরা শূন্য কর চেয়েছিলাম।
প্রথম আলো
বাজেট–উত্তর সংবাদ সম্মেলন : অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াবে ৪র্থ বছরে: অর্থমন্ত্রী
ঋণনির্ভরতার বদলে বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতির দিকে যেতে হবে। কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি, মূল্যস্ফীতি কমানোসহ সার্বিক অর্থনীতিকে উজ্জীবিত করতেই তা দরকার। তবে বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতিতে গেলে বিনিয়োগ করতে হবে, নইলে বিনিয়োগ আসবে না। সরকার এ পর্যন্ত যেসব পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে, সেগুলোর ৮০ শতাংশ সফলভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে দেশের অর্থনীতি পৌঁছে যাবে নতুন উচ্চতায়। এদিকে যে অর্থনীতি আছে, তা ঠিকঠাক করতে দুই বছর সময় লেগে যাবে। চতুর্থ ও পঞ্চম বছরে গিয়ে অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াবে। রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে গতকাল শুক্রবার বাজেট–উত্তর সংবাদ সম্মেলনে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ কথা বলেন।
The Financial Express
BGMEA chief welcomes budget direction, stresses implementation
Bangladesh Garment Manufacturers and Exporters Association (BGMEA) President Mahmud Hasan Khan Babu has welcomed the overall direction of the proposed budget for FY 2026-27, saying its focus on investment facilitation and long-term policy stability could support industrial growth if implemented effectively. In an instant reaction to The Financial Express on Thursday, he said the government had already announced a Tk 600 billion (Tk 60,000-crore) pre-budget support package, including around Tk 41 billion (Tk 4,100 crore) in refinancing facilities, which could yield positive results if properly utilised. However, he stressed that the support measures should cover not only operational factories but also struggling and temporarily closed industrial units to ensure broader recovery of the manufacturing sector. Mr Babu said employment generation cannot be viewed in isolation, as investment and job creation largely depend on infrastructure readiness. He pointed to persistent challenges in the energy and power sector, noting that outdated power plants and capacity charge obligations continue to increase costs for businesses.
বাংলা ট্রিবিউন
প্রস্তাবিত বাজেটে ব্যবসায়ীরা খুশি, কারণ কী
বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বলছেন, ‘‘এই বাজেট ব্যবসাবান্ধব ও প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ তৈরিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। বিশেষ করে উৎস কর বাস্তবসম্মতভাবে পর্যালোচনা করা গেলে দীর্ঘদিনের হয়রানি কমবে। তার মতে, প্রস্তাবিত বাজেটে রপ্তানিমুখী শিল্প, বিশেষ করে তৈরি পোশাক খাতকে সহায়তা করার কিছু ইতিবাচক দিক রয়েছে।’’ তবে তিনি একইসঙ্গে বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিয়েই সবচেয়ে বড় শঙ্কার কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, ‘‘বাজেট যদি ঘোষণার সঙ্গে সংগতিপূর্ণভাবে সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করা যায়, তাহলে এটি গার্মেন্টস শিল্পের জন্য সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে।’’২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটকে বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ, সংস্কারমুখী ও ব্যবসাবান্ধব হিসেবে অভিহিত করেছে বিসিআই। এই বাজেটকে ইতিবাচক হিসেবে গণ্য করে অর্থমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন বিসিআই সভাপতি আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী (পারভেজ)।
জাগো নিউজ২৪
বাজেট শিল্পখাতকে উল্লেখযোগ্য স্বস্তি দিতে পারে: রুবানা হক
২০২৬–২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট সামগ্রিকভাবে ব্যবসায়ী মহলের জন্য একটি ইতিবাচক বার্তা বহন করে, বিশেষ করে বাংলাদেশের রপ্তানিমুখী শিল্পখাতের জন্য। উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি, এলডিসি-পরবর্তী চ্যালেঞ্জ ও বৈশ্বিক বাণিজ্যের অনিশ্চয়তার প্রেক্ষাপটে বাজেটের বেশ কয়েকটি পদক্ষেপ শিল্পখাতকে উল্লেখযোগ্য স্বস্তি দিতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন ড রুবানা হক। রুবানা জানান, রপ্তানিকারকদের জন্য নগদ প্রণোদনার ওপর কর ১০ শতাংশ থেকে ৫ শতাংশে নামিয়ে আনা, ১ শতাংশ উৎসে কর বহাল রাখা, বন্ড সুবিধাভোগীদের জন্য ৩০ শতাংশ মূল্য সংযোজনের বাধ্যবাধকতা প্রত্যাহার এবং কাঁচামাল আমদানিতে করের বোঝা হ্রাস—এসব পদক্ষেপ শিল্পের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং নগদ প্রবাহের চাপ কমাতে সহায়ক হবে। বিশেষ করে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের দীর্ঘদিনের দাবিগুলোর প্রতিফলন এতে দেখা যায়।
The Daily Star
Budget lacks dedicated plan for LDC graduation : Say experts
Although the proposed budget for fiscal year 2026-27 offers some measures that are aligned with the government’s Smooth Transition Strategy (STS) for LDC graduation, it lacks a dedicated framework with preparations for this watershed moment, which is due in November, experts said. They added that the government should calculate how much money Bangladesh stands to lose after graduation and spell out concrete steps to compensate for those losses through measures like trade deals, export diversification, and competitiveness reforms. Mahmud Hasan Khan, president of BGMEA, said issues directly linked to graduation -- such as signing trade deals, tackling the energy crisis, expanding the Dhaka‑Chattogram Highway, and reducing bank interest rates -- have been addressed in the budget.
আজকের পত্রিকা
সিপিডির পর্যালোচনা : সরকারের জন্য বড় সুযোগ একই সঙ্গে কঠিন পরীক্ষা
প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটকে নতুন সরকারের জন্য একটি বড় সুযোগ এবং একই সঙ্গে কঠিন পরীক্ষা হিসেবে দেখছে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)। সংস্থাটির মতে, দীর্ঘ চার বছরের উচ্চ মূল্যস্ফীতি, দুর্বল বেসরকারি বিনিয়োগ, কর্মসংস্থানের অভাব এবং ব্যাংকিং খাতের ভঙ্গুর দশার মতো বহুমাত্রিক অর্থনৈতিক সংকটের সময়ে ঘোষিত এই বাজেটটি বাস্তবায়নের ওপরই এর সাফল্য নির্ভর করছে। শুক্রবার রাজধানীর লেকশোর হোটেলে আয়োজিত ‘জাতীয় বাজেট ২০২৬-২৭: সিপিডির পর্যালোচনা’ শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলনে এই প্রতিক্রিয়া জানানো হয়।
সমকাল
বাস্তবায়নের সঠিক রূপরেখা নিয়ে প্রশ্ন : শামস মাহমুদ, সাবেক সভাপতি, ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি
আগামী অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট সামগ্রিকভাবে বিশ্লেষণ করলে একে ব্যবসা ও জনবান্ধব বলা যায়। বাজেটে কিছু কাঠামোগত দুর্বলতা কাটানোর চেষ্টা দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে অটোমেশনের মাধ্যমে রাজস্ব আহরণ, লজিস্টিকস খাতের উন্নয়ন, স্বাস্থ্য সুরক্ষা, শিক্ষা ও সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী শক্তিশালী করার যে দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, তা ইতিবাচক। কিন্তু কাগজে-কলমে যে উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা দেখা যাচ্ছে, তা বাস্তবায়নের সঠিক রূপরেখা কি আছে? এখানে বড় প্রশ্ন রয়ে গেছে।
বাংলাদেশ প্রতিদিন
কমছে পোশাক রপ্তানি : বেশির ভাগ ইউরোপের দেশে রপ্তানি কমছে অপ্রচলিত বাজারেও রপ্তানিতে ভাটা
বিশ্ববাজারের অর্থনৈতিক মন্দা, মূল্যস্ফীতি ও ভূ-রাজনৈতিক সংকটের নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতে। দেশের রপ্তানি আয়ের প্রধান এই উৎসে বড় ধরনের ধাক্কা লেগেছে। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাই থেকে মে পর্যন্ত গত ১১ মাসে তৈরি পোশাক খাত থেকে আয় হয়েছে ৩ হাজার ৫৩১ কোটি ডলার, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের ৩ হাজার ৬৫৬ কোটি ডলারের তুলনায় ৩ দশমিক ৪১ শতাংশ কম। এ খাতের প্রধান বাজার ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) থেকে কমেছে ৪ দশমিক ৮৮ শতাংশ। ইউরোপের বেশির ভাগ দেশেই বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি কমেছে। অপ্রচলিত বাজারেও পোশাক রপ্তানি কমছে।
সমকাল
যে কোনো এলাকাকে মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল ঘোষণা করতে পারবে এনবিআর
প্রজ্ঞাপন দিয়ে যে কোনো এলাকাকে মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল ঘোষণা করতে পারবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এই অঞ্চলে কোনো প্রতিষ্ঠান আলাদা ‘বন্ডেড ওয়্যারহাউস’ লাইসেন্স ছাড়াই শুল্কমুক্ত সুবিধায় পণ্য আমদানি ও রপ্তানি করতে পারবে। মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল থেকে পণ্য দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে আনতে হলে প্রযোজ্য শুল্ক-কর পরিশোধ করতে হবে। এই অঞ্চলের পণ্য কাস্টমসের নিবিড় নিয়ন্ত্রণে থাকবে। বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল স্থাপনের সুবিধার্থে কাস্টমস আইনে এ রকম বেশ কিছু বিধান সংযোজনের প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলাদেশকে একটি বৈশ্বিক লজিস্টিকস ও উৎপাদন কেন্দ্রে রূপান্তরের আইনি কাঠামো এই অর্থবিলে সুনিশ্চিত করার কথা বলেছেন তিনি।