July 16, 2026
কালের কন্ঠ
স্বল্প সুদে অর্থায়নসহ ১০ দফা দাবি : টেক্সটাইল শিল্প বাঁচাতে গভর্নরের হস্তক্ষেপ চাইল বিটিএমএ
উচ্চ সুদহার, জ্বালানি সংকট, ডলারের অস্থিরতা এবং উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধির চাপে দেশের টেক্সটাইল শিল্প বর্তমানে কঠিন সময় পার করছে। এ অবস্থায় শিল্প খাতকে টিকিয়ে রাখতে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের হস্তক্ষেপ কামনা করে ১০ দফা দাবি উত্থাপন করেছে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ)।বুধবার (১৫ জুলাই) গভর্নরের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে সংগঠনটি টেক্সটাইল খাতের বিভিন্ন সংকট তুলে ধরে জরুরি নীতিগত ও আর্থিক সহায়তা চেয়েছে। চিঠিতে বিটিএমএ জানিয়েছে, দেশের সুতা, কাপড়, রং, প্রিন্টিং ও ফিনিশিং শিল্প ক্রমবর্ধমান আর্থিক চাপে পরিচালিত হচ্ছে। ব্যাংক ঋণের উচ্চ সুদ, কার্যকরী মূলধনের সংকট, গ্যাস ও বিদ্যুতের অনিয়মিত সরবরাহ এবং আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্য প্রতিযোগিতার কারণে অনেক কারখানা উৎপাদন কমাতে বাধ্য হয়েছে। এতে নতুন বিনিয়োগ নিরুৎসাহিত হচ্ছে এবং শিল্পের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা কমে যাচ্ছে।
জাগো নিউজ২৪
এবিবি আরোপিত চার্জ ও বর্ধিত ফি, আপত্তি জানিয়ে চট্টগ্রাম চেম্বারের চিঠি
অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশ (এবিবি) ব্যাংকিং সেবার ১৪টি খাতে আরোপিত চার্জ ও ফি বর্ধিত করার বিরুদ্ধে আপত্তি জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নরকে জরুরি চিঠি দিয়েছেন চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মোহাম্মদ আমিরুল হক। বুধবার (১৫ জুলাই) গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমানকে দেওয়া এ চিঠিতে দেশে বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ ও অর্থনীতি বর্তমানে যে ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে এমন সময়ে অহেতুক কস্ট অব ডুয়িং বিজনেস বৃদ্ধি করার মতো ব্যাংকিং সেবার চার্জ প্রস্তাব আত্মঘাতী হবে বলে উল্লেখ করা হয়।
The Daily Sun
China emerges as top EPZ investor in Bangladesh
China has emerged as the largest source of new industrial investment in Bangladesh’s Export Processing Zones (EPZs). The investment surge comes as bilateral economic ties deepen following Prime Minister Tarique Rahman’s recent official visit to Beijing. According to the Bangladesh Export Processing Zones Authority (BEPZA), Chinese-owned firms and joint ventures accounted for nearly two-thirds of the total investment commitments secured during the 2025-26 fiscal year.
সমকাল
৫৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানির বড় লক্ষ্যমাত্রা
সদ্য সমাপ্ত ২০২৫-২৬ অর্থবছরে পণ্য রপ্তানিতে লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়নি। ১ শতাংশের মতো কম হয়েছে প্রকৃত রপ্তানি। এ বাস্তবতার মধ্যেই চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৫৮ বিলিয়ন ডলার বা ৫ হাজার ৮০০ কোটি ডলারের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা ধরা হচ্ছে। এটি গত অর্থবছরের প্রকৃত রপ্তানি আয়ের চেয়ে প্রায় ২১ শতাংশ বেশি। গত অর্থবছরে ৪ হাজার ৮০০ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছিল। অন্যান্য বছরের মতো এবারও প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক রপ্তানি থেকে বড় আয়ের প্রত্যাশা করা হচ্ছে। জানা গেছে, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) বিভিন্ন খাতের উদ্যোক্তা ও বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে চলতি অর্থবছরের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রার খসড়া তৈরি করেছে। গত সপ্তাহে খসড়া লক্ষ্যমাত্রার প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে। আগামী সপ্তাহে বাণিজ্যমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী পণ্য ও সেবা রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা ঘোষণা করতে পারেন।
বাংলাদেশ প্রতিদিন
নতুন ব্যবসায় আতঙ্কে উদ্যোক্তারা: অঘোষিত খরচের চাপ বাড়ছে ♦ ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ হচ্ছে কঠিন
বাংলাদেশে নতুন ব্যবসা শুরু করার স্বপ্ন এখন তরুণ ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের কাছে আতঙ্কের নাম। সরকারের নানান আশ্বাসের পরও দেশের সামগ্রিক ব্যবসায়িক পরিবেশে এক ধরনের স্থবিরতা বিরাজ করছে। একদিকে জটিল আমলাতান্ত্রিক প্রক্রিয়া, অন্যদিকে আকাশছোঁয়া উৎপাদন ব্যয় এবং চরম অর্থায়ন সংকটের কারণে নতুন কোনো উদ্যোগে হাত দিতে ভয় পাচ্ছেন বিনিয়োগকারীরা। কারখানা করেও গ্যাস-বিদ্যুতের অভাবে অনেক কারখানা যেতে পারছে না উৎপাদনে। বন্ধ হয়েছে অনেক সচল কারখানা। এলাকায় নতুন কোনো ব্যবসা চালু করতে গেলেই স্থানীয় প্রভাবশালী চক্রকে মোটা অঙ্কের চাঁদা দিতে হচ্ছে। এ ছাড়া পোশাক কারখানার গার্মেন্টসের ঝুট (ওয়েস্টেজ) নেওয়াকে কেন্দ্র করে নিয়মিত ঘটছে মারামারি। এসব ঘটনায় লাভ করার চেয়ে অনেক সময় অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার লড়াইয়ে রয়েছে দেশের বেসরকারি খাত।
আমার দেশ
বিদেশি প্রতিষ্ঠানের বৈদেশিক ঋণ নেওয়ার শর্ত শিথিল
সম্পূর্ণ বিদেশি মালিকানাধীন শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য বৈদেশিক ঋণ নেওয়ার শর্ত শিথিল করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে এসব প্রতিষ্ঠান তাদের মূল কোম্পানি (প্যারেন্ট কোম্পানি), সহযোগী প্রতিষ্ঠান এবং শেয়ারহোল্ডারদের কাছ থেকে বিদেশি ঋণ নিতে পারবে। বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করা হয়েছে।
ইনকিলাব
ভারতসহ পাঁচ দেশের ওপর ১০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্কের প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্রের
আবারও শুল্কনীতি নিয়ে আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র। রাশিয়া থেকে তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস আমদানি অব্যাহত রাখা দেশগুলোর ওপর কঠোর অর্থনৈতিক চাপ বাড়াতে মার্কিন সিনেটে একটি নতুন নিষেধাজ্ঞা বিল উত্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে। প্রস্তাবিত বিলে ভারত, চীন, সেøাভাকিয়া, হাঙ্গেরি ও আজারবাইজান থেকে আমদানি করা পণ্যের ওপর সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপের বিধান রাখা হয়েছে। বিলটির বিষয়ে কথা বলেন মার্কিন সিনেটর রিচার্ড ব্লুমেনথাল। তিনি জানান, রাশিয়া থেকে তেল ক্রয়কারী প্রধান কয়েকটি দেশের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট শুল্ক আরোপের প্রস্তাব রাখা হয়েছে, যার হার সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে। তবে বিশেষ পরিস্থিতিতে কিছু ছাড়ের ব্যবস্থাও থাকবে বলে উল্লেখ করেন তিনি। প্রস্তাবিত বিলটি কেবল রাশিয়ার তেল আমদানিকারক দেশগুলোর জন্য নয়; যারা রাশিয়া থেকে প্রাকৃতিক গ্যাসও আমদানি করছে, তাদের বিরুদ্ধেও অর্থনৈতিক পদক্ষেপের সুযোগ রাখা হয়েছে।
সময়ের আলো
বাড়ছে বেপজার রফতানি আয়
দেশের রফতানিতে অবদান বাড়ছে বেপজার। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা ও দেশের সামগ্রিক রফতানি হ্রাসের চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বেশ সাফল্য অর্জন করেছে বাংলাদেশ রফতানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ (বেপজা)। সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরে দেশের মোট রফতানিতে বেপজা ১৭ দশমিক ৫১ শতাংশ অবদান রাখার পাশাপাশি নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে রেকর্ড গড়েছে। বেপজা সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।