BGMEA DAILY DIGEST
News published in media related to RMG: Today’s RMG News

August 10, 2026

uploads/trade_daily/digest_photo_WhatsApp_Image_2026-08-10_at_11.24.25_AM__1786343401.jpeg
দেশ রুপান্তর
বন্ড লাইসেন্স ছাড়া ব্যাংক গ্যারান্টির বিপরীতে শুল্কমুক্ত কাঁচামাল আমদানির ক্ষেত্রে ন্যূনতম ৩০ শতংশ স্থানীয় মূল্য সংযোজনের (ভ্যালু এডিশন) শর্ত পুনর্বহালের দাবি জানিয়েছেন তৈরি পোশাক খাতের শিল্প উদ্যোক্তারা। এ সুবিধা বিগত অর্থবছরে থাকলেও চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে প্রত্যাহার করে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), যার পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ) সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল এনবিআর চেয়ারম্যান বরাবর এক চিঠিতে মূল্য সংযোজন সুবিধা পুনর্বহালের দাবি জানান। এতে বিজিএমইএ ও বিকেএমইএসহ খাত-সংশ্লিষ্ট অন্যান্য ব্যবসায়ীদের সম্মতি রয়েছে। গতকাল রবিবার এনবিআর সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
uploads/trade_daily/digest_photo_WhatsApp_Image_2026-08-10_at_11.20.45_AM__1786343401.jpeg

The Daily Star
Bangladesh pushes for EU trade deal, RCEP entry | The Daily Star Bangladesh is preparing to launch formal negotiations for a free trade agreement with the European Union while pressing ahead with its bid to join the Regional Comprehensive Economic Partnership (RCEP), as the country steps up its efforts. The dual push marks a significant step for the country. With chief negotiators appointed and diplomatic groundwork laid, Dhaka is positioning itself to cement formal trade ties with two of the world’s most powerful economic blocs.Formal steps for the EU trade negotiations are expected to begin next month. Commerce Minister Khandakar Abdul Muktadir confirmed that an initial exchange of formal letters with the EU has already taken place, agreeing to enter negotiations for a free trade agreement (FTA).“We are hopeful that we will get the date of engagement for the negotiation with the EU after August,” Muktadir told The Daily Star.

uploads/trade_daily/digest_photo_N_D__1786343401.jpg

নয়াদিগন্ত
জ্বালানি সঙ্কটে শিল্পোৎপাদন ব্যাহত বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবু নয়া দিগন্তকে বলেন, রফতানি কমার পুরো দায় জ্বালানি সঙ্কটের ওপর দেয়া যাবে না। বৈশ্বিক চাহিদা, আন্তর্জাতিক বাজারে পোশাকের দাম কমে যাওয়া, ক্রেতাদের অর্ডার কমানো, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি, ব্যাংক ঋণের সঙ্কট এবং ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিও পোশাক খাতের ওপর চাপ তৈরি করছে। বিজিএমইএও চলতি বছর শিল্পটির সঙ্কটের কারণ হিসেবে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিরতা ও অভ্যন্তরীণ নানা সমস্যার কথা জানিয়েছে। তিনি বলেন, জ্বালানি সঙ্কট এসব সমস্যাকে আরো গভীর করছে। একটি কারখানার হাতে অর্ডার থাকলেও পর্যাপ্ত গ্যাস ও বিদ্যুৎ না থাকলে উৎপাদন করা সম্ভব নয়। সময়মতো পণ্য পাঠাতে না পারলে ক্রেতার আস্থা নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি ভবিষ্যৎ অর্ডারও ঝুঁকিতে পড়তে পারে।

uploads/trade_daily/digest_photo_WhatsApp_Image_2026-08-10_at_10.51.13_AM__1786343401.jpeg

প্রথম আলো
রপ্তানি আয়ের পাঁচ ভাগের এক ভাগ আনে বিদেশি ব্যাংকগুলো দেশের পণ্য রপ্তানির প্রায় ১৯ শতাংশ সম্পন্ন হচ্ছে বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে। ফলে রপ্তানি আয়ের সমপরিমাণ অর্থ আনছে এসব ব্যাংক। অন্যদিকে আমদানির ১৩ শতাংশ হচ্ছে বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে। এদিকে দেশের ব্যাংকগুলোর আমানতের বড় অংশ উচ্চ সুদের এবং তা স্থায়ী আমানত। বিদেশি ব্যাংকগুলোর স্থায়ী আমানতের হার ১৬ শতাংশ, দেশের ব্যাংকগুলোতে এমন আমানতই ৪৮ শতাংশ। বিদেশি ব্যাংকগুলোর কার্যক্রম নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

uploads/trade_daily/digest_photo_WhatsApp_Image_2026-08-10_at_12.09.05_PM__1786343401.jpeg

প্রতিদিনের বাংলাদেশ
সবুজ কারখানার সুফল অধরা রানা প্লাজার পর পোশাক খাতে বদলেছে বাংলাদেশের কারখানা চিত্র। ভাবমূর্তি ফেরাতে উদ্যোক্তারা পরিবেশবান্ধব কারখানায় বিপুল অর্থ বিনিয়োগ করেছেন। বিশ্বের শীর্ষ লিড সার্টিফায়েড কারখানাগুলোর বড় অংশ এখন বাংলাদেশে। তবে এই অর্জনের বিপরীতে পণ্যের বাড়তি দাম মিলছে না। ফলে সবুজ বিনিয়োগের বাণিজ্যিক সুফল নিয়ে প্রশ্ন উঠছে উদ্যোক্তাদের মধ্যে। স্প্যারো গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শোভন ইসলাম বিষয়টি তুলে ধরেছেন। তার মতে, লিড সনদ এখন বিপণন কৌশলে পরিণত হয়েছে। সনদ থাকলেই ক্রেতারা বাড়তি মূল্য দিতে আগ্রহ দেখান না। বরং বাংলাদেশে সনদটিকে বাণিজ্যিকভাবে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বিজিএমইএর সাবেক পরিচালক মহিউদ্দিন রুবেল এমনটাই মনে করেন। তার মতে, বিদ্যুৎ ও পানি সাশ্রয় বিনিয়োগের মূল্য ফেরাতে পারে। সম্পদের দক্ষ ব্যবহার পরিচালন ব্যয়ও কমাতে পারে দীর্ঘমেয়াদে। উন্নত কর্মপরিবেশ উৎপাদনশীলতা বাড়াতেও সহায়ক হতে পারে বলে মত। তাই লিড সনদকে একটি ব্যবসায়িক সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখার পরামর্শ রয়েছে।

uploads/trade_daily/digest_photo_WhatsApp_Image_2026-08-10_at_11.28.59_AM__1786343401.jpeg

The Daily Star
Labour compliance key to export competitiveness : Says Sanem study Labour compliance is becoming increasingly important for Bangladeshi exporters as major Western markets tighten requirements and the country prepares to graduate from the least developed country (LDC) category. A new policy paper by economist Selim Raihan, executive director of the South Asian Network on Economic Modeling (Sanem), said labour standards are no longer only an ethical or domestic issue. They are increasingly linked to market access, buyer decisions, shipment clearance and export competitiveness.The paper, titled From Compliance to Competitiveness: The Growing Importance of Labour Issues for Bangladeshi Exporters in the European Union and the United States, was published this month.

uploads/trade_daily/digest_photo_kk__1786343401.jpg

কালের কণ্ঠ
ডিজিটাল অর্থনীতিতে গতি আনতে ৫ অগ্রাধিকার দেশের ডিজিটাল অর্থনীতিকে নতুন উচ্চতায় নিতে সরকার পাঁচটি কৌশলগত অগ্রাধিকার নির্ধারণ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে দীর্ঘমেয়াদি ও স্থিতিশীল নীতিগত সহায়তা, দ্রুতগতির ইন্টারনেট সংযোগ, ‘ওয়ান সিটিজেন, ওয়ান আইডি, ওয়ান ডিজিটাল ওয়ালেটভিত্তিক’ ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও সাইবার নিরাপত্তায় দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা এবং ইলেকট্রনিকস উৎপাদন খাতের বিকাশ। একই সঙ্গে জাতীয় সাইবার নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে চলতি বছরের শেষ প্রান্তিকে জাতীয় এআই নীতি প্রণয়নের কাজ শুরুর ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। গতকাল রবিবার রাজধানীর একটি হোটেলে আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশ (অ্যামচেম) আয়োজিত ‘বাংলাদেশের ডিজিটাল ভবিষ্যৎ ত্বরান্বিত করা : উদ্ভাবন, বিনিয়োগ ও আইসিটিনির্ভর প্রবৃদ্ধির জন্য নীতিগত অগ্রাধিকার’ শীর্ষক সংলাপে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ, আইসিটি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ।

uploads/trade_daily/digest_photo_WhatsApp_Image_2026-08-10_at_11.31.34_AM__1786343401.jpeg

আমার দেশ
চীনের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি বাড়ল জার্মানির, রপ্তানি বাজারে নামল নবম অবস্থানে জার্মানির শীর্ষ বাণিজ্য অংশীদার হওয়ার পরও ২০২৬ সালের প্রথমার্ধে দেশটির সঙ্গে চীনের বাণিজ্য ঘাটতি আরো বেড়েছে। রাষ্ট্রীয় সংস্থা জার্মানি ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টের (জিটিএআই) প্রাথমিক তথ্যসূত্রে খবর প্রকাশ করেছে রয়টার্স।তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারি থেকে জুনের মধ্যে চীনে জার্মানির রপ্তানি ১২ শতাংশের বেশি কমে ৩৭ বিলিয়ন ইউরোর নিচে নেমে এসেছে। চীনা কোম্পানিগুলো ইউরোপীয় আমদানির ওপর তাদের নির্ভরতা কমিয়ে দিয়েছে। ফলে জার্মানির পণ্য রপ্তানির বাজার হিসেবে চীন এখন নবম অবস্থানে পরিণত হয়েছে। অথচ ২০২১ সালের দিকেও চীন ছিল জার্মানির দ্বিতীয় বৃহত্তম রপ্তানি বাজার। তখন মহামারীর প্রভাব থাকা সত্ত্বেও জার্মানি দেশটিতে ১০৪ বিলিয়ন ইউরোর পণ্য বিক্রি করেছিল।