August 24, 2026
বণিক বার্তা
ইউরোপে রফতানিতে তৈরি পোশাকের পাশাপাশি অন্য খাতের অংশগ্রহণ বাড়াতে চাই
ইউরোপের বাজারে সম্ভাবনা বা সামগ্রিকভাবে তৈরি পোশাকের সম্ভাবনা এখনো অনেকখানি বাকি। বাকি বলছি এজন্য যে আমরা তো এখনো নিম্ন ও মধ্যম মূল্যের পণ্য তৈরি করি। উচ্চ মূল্যের পণ্য করি না। কৃত্রিম তন্তুতে এখনো আমরা যথেষ্টভাবে যাইনি। এভাবে তৈরি পোশাকের মধ্যেও অনেকগুলো বিভাগ, যেগুলো মূল্য সংযোজিত বিভাগ, ওগুলো নিয়ে আমরা এখনো ওই বাজারে প্রবেশ করতে পারিনি। তো এদিকে আমাদের অংশগ্রহণ (শেয়ার) যত বাড়বে, তত আমাদের ইউনিটপ্রতি পণ্যের দাম বাড়তে থাকবে। এখনো ইউরোপের বাজার, আমেরিকান বাজার—সব বাজারেই আমাদের এখনো যথেষ্ট সম্ভাবনা আছে তৈরি পোশাকের ক্ষেত্রেও।
ঢাকা পোস্ট
নবায়নযোগ্য জ্বালানি ছাড়া রপ্তানিতে ১০০ বিলিয়ন ডলারের লক্ষ্য অর্জন কঠিন
বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি ১০০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্য অর্জনে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) ভাইস প্রেসিডেন্ট বিদিয়া আমৃত খান। তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা এখন আর শুধু পরিবেশগত দায়বদ্ধতার বিষয় নয়; আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের টিকে থাকার জন্যও এটি অপরিহার্য। বিশেষ করে ইউরোপীয় বাজারে পরিবেশ ও কার্বনসংক্রান্ত কঠোর বিধিনিষেধ কার্যকর হলে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার এবং এর যথাযথ তথ্যপ্রমাণ রপ্তানির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। রোববার (২৩ আগস্ট) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের অডিটরিয়ামে নবায়নযোগ্য জ্বালানিভিত্তিক বাণিজ্যিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র (এমপিপি) থেকে উৎপাদিত বিদ্যুতের প্রযোজ্য ট্যারিফ নির্ধারণের প্রস্তাব নিয়ে আয়োজিত গণশুনানিতে তিনি এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) এ গণশুনানির আয়োজন করে।
যুগান্তর
বিদ্যুতে কমিয়ে শিল্পে গ্যাস বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত
ক্ষতি পুষিয়ে নিতে এবার বিদ্যুৎকেন্দ্রে কমিয়ে শিল্পে গ্যাসের সরবরাহ বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে ফার্নেস অয়েলভিত্তিক কেন্দ্র থেকে সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ উৎপাদনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আপাতত ফার্নেস অয়েল দিয়ে ৪ হাজার মেগাওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রস্তুতি নিয়েছে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড-পিডিবি।
আজকের পত্রিকা
আমদানিতে গতি, বিনিয়োগে ভাটা
দেশের আমদানি বাজারে গতি ফিরছে—কিন্তু সেই গতি এখনো বিনিয়োগে পৌঁছায়নি। সদ্য শেষ হওয়া ২০২৫-২৬ অর্থবছরে নতুন আমদানি ঋণপত্র (এলসি) খোলার পরিমাণ বেড়েছে প্রায় ৭ শতাংশ। অথচ এলসির বিপরীতে পণ্য এনে মূল্য পরিশোধের প্রবৃদ্ধি থেমেছে প্রায় শূন্যে। আরও গুরুত্বপূর্ণ হলো, শিল্পের ভবিষ্যৎ সক্ষমতার প্রধান দুই সূচক মূলধনি যন্ত্রপাতি ও কাঁচামালের আমদানি—দুটিই কমেছে। ফলে আমদানি বাড়ার সাম্প্রতিক চিত্র অর্থনীতিতে চাহিদা ফেরার ইঙ্গিত দিলেও তা বিনিয়োগ পুনরুদ্ধারের বার্তা দিচ্ছে না।
বাংলাদেশ প্রতিদিন
শিল্পকারখানায় অচলাবস্থা উৎপাদন নেমেছে অর্ধেকে | | বাংলাদেশ প্রতিদিন
গ্যাসসংকটে চট্টগ্রামের শিল্প খাতে সৃষ্টি হয়েছে অচলাবস্থা। এরই মধ্যে উৎপাদন অর্ধেকে নামিয়ে আনতে বাধ্য হয়েছেন অনেক শিল্পকারখানার মালিক। আবার অনেক প্রতিষ্ঠানের উৎপাদন ঠেকেছে তলানিতে। এ অবস্থা চলতে থাকলে উৎপাদন বন্ধের পাশাপাশি তৈরি পোশাকের ক্রয়াদেশ বাতিল হয়ে প্রতিযোগী দেশের হাতে চলে যাওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে।