BGMEA DAILY DIGEST
News published in media related to RMG: Today’s RMG News

October 25, 2026

uploads/trade_daily/digest_photo_WhatsApp_Image_2026-10-25_at_12.41.44_PM_(1)__1792910880.jpeg
The New Age
Prime Minister Tarique Rahman is scheduled to visit Japan from October 26 to 29. Bangladesh Garment Manufacturers and Exporters Association President Mahmud Hasan Khan said attracting Japanese investment should be a priority of the PM’s visit. The association opened a dedicated Japan desk at its Uttara office last month and will hold a roadshow in Hong Kong next month, which Japanese retailers are expected to attend. The BGMEA wants to raise garment exports to Japan to $3 billion in the near future. https://www.newagebd.net/post/trade-commerce/319443/biz-leaders-eye-investment-export-boost-from-pms-japan-visit
uploads/trade_daily/digest_photo_kk__1792910880.jpg

কালের কণ্ঠ
এশিয়ায় বাণিজ্য বাড়ছে পিছিয়ে বাংলাদেশ বৈশ্বিক অর্থনীতিতে অনিশ্চয়তার মধ্যে রপ্তানি প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে এশিয়ার বাজারে সম্প্রসারণকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করছেন ব্যবসায়ীরা। তাঁদের মতে, ভৌগোলিক নৈকট্য, প্রতিষ্ঠিত উৎপাদন সক্ষমতা ও তুলনামূলক কম ব্যয় কাজে লাগিয়ে আঞ্চলিক বাজারে রপ্তানি বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে। তবে প্রতিযোগিতা, পণ্যের বৈচিত্র্যের অভাব, সরবরাহে দীর্ঘসূত্রতা ও বাণিজ্যচুক্তির সীমাবদ্ধতা সেই সুযোগ কাজে লাগানোর পথে বাধা হয়ে আছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (ইপিএ) রপ্তানি বাড়ানোর সুযোগ তৈরি করতে পারে। তবে বিনিয়োগ ও রপ্তানি সম্প্রসারণে কাস্টমসের দীর্ঘসূত্রতা, করসংক্রান্ত জটিলতা, অর্থ পরিশোধের সমস্যা ও নীতির ধারাবাহিকতা নিয়ে বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগ দূর করতে হবে। https://www.kalerkantho.com/print-edition/first-page/2026/10/25/1757663

uploads/trade_daily/digest_photo_bonik__1792911474.jpg

বণিক বার্তা
সুতা আমদানিতে বন্ড সুবিধা নিয়ে মুখোমুখি বস্ত্র ও পোশাক খাতের সংগঠন এ বিষয়ে তৈরি পোশাক খাতের একাধিক বড় রফতানিকারক প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার জানান, সিদ্ধান্তটির প্রভাব শুধু সুতা সংগ্রহের ব্যয়ে সীমাবদ্ধ নয়; আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের নির্ধারিত কাঁচামাল ব্যবহার, উৎপাদন পরিকল্পনা, সরবরাহের সময়সীমা ও রফতানি প্রতিযোগিতা সক্ষমতার সঙ্গেও এর সম্পর্ক রয়েছে। তাদের আশঙ্কা, ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী কাঁচামাল সংগ্রহের সুযোগ সীমিত হলে উৎপাদন ও পণ্য সরবরাহের সময়সূচি ব্যাহত হতে পারে। বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বণিক বার্তাকে জানান, এ বিষয়ে সব পক্ষকে নিয়ে বৈঠক হবে। পাল্টাপাল্টি অবস্থানে রফতানি সক্ষমতা ঝুঁকিতে পড়ছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘অবশ্যই। এজন্যই তো আমরা চিঠি দিয়েছি। আমরা উইন-উইন সিচুয়েশন চাই। কাউকে সুরক্ষা দিতে গিয়ে আরেক পক্ষকে মেরে ফেলার কোনো যুক্তি হতে পারে না।’ https://bonikbarta.com/bangladesh/nKcpd7owmrpmUpq5

uploads/trade_daily/digest_photo_fe_protest__1792911474.jpg

The Financial Express
A new headwind facing Bangladesh’s export trade : Protests across EU could squeeze apparel orders Talking to the Financial Expres, Nafis-Ud-Doula, director, Impress-Newtex Composite Textiles Ltd, said some buyers from Italy and France wanted to know the current status of the orders they have already placed -- whether they are already produced or not. "Buyers might want to hold certain portion of work orders," he said. Also a director of Bangladesh Garment Manufacturers and Exporters Association (BGMEA), he said they were yet to face any impact, but if the protests prevailed for a long time, sales in those markets might decline and so the sourcing from Bangladesh. "It can put another blow to the local exports that have been falling for last several months," he noted. https://today.thefinancialexpress.com.bd/first-page/protests-across-eu-could-squeeze-apparel-orders-1792863635

uploads/trade_daily/digest_photo_a_shamo__1792911474.jpg

দৈনিক আমাদের সময়.কম
ইউরোপের ডেনিম বাজারে বাংলাদেশের আধিপত্য, ৮ মাসে রপ্তানি কমলেও শীর্ষস্থান অটুট এ বিষয়ে বাসসের সঙ্গে আলাপকালে তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সাবেক পরিচালক মহিউদ্দিন রুবেল বলেন, পোশাক আমদানিতে সামগ্রিকভাবে নিম্নমুখী প্রবণতা থাকা সত্ত্বেও সুপ্রতিষ্ঠিত সরবরাহব্যবস্থা, দক্ষ জনবল ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতার কারণে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ডেনিম বাজারে বাংলাদেশ শক্ত অবস্থান ধরে রেখেছে। তিনি বলেন, দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টায় বাংলাদেশ ডেনিম উৎপাদনে শক্তিশালী ভিত্তি গড়ে তুলেছে। এর ফলে ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রসহ প্রধান রপ্তানি বাজারগুলোতে প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান বজায় রাখা সম্ভব হচ্ছে। https://www.amadershomoy.com/economics/article/202653/%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%AA%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%A1%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%AE-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82#gsc.tab=0

uploads/trade_daily/digest_photo_ds_japan__1792911474.jpg

The Daily Star
More than RMG needed to tap Japan market Bangladesh is missing opportunities to boost export earnings from Japan by relying heavily on garment shipments while struggling to tap demand for products such as footwear, leather goods and food items, industry insiders say. Garments account for more than 80 percent of Bangladesh’s exports to Japan, leaving considerable scope to diversify into higher-value products. However, exporters need to address energy shortages and meet Japan’s stringent quality and compliance requirements to turn that potential into higher export earnings.Bangladesh already exports jute and jute goods, leather products, fish and shrimp, plastic goods, and information technology and IT-enabled services to Japan, according to the Export Promotion Bureau (EPB). Sector leaders say exports could be expanded by shipping more agricultural products, higher-value garments and man-made fibre apparel. https://www.thedailystar.net/business/economy/news/more-rmg-needed-tap-japan-market-4306481

uploads/trade_daily/digest_photo_desh_rup__1792911474.jpg

দেশ রুপান্তর
রপ্তানি বাজার ধরে রাখতে তিন কৌশলে সরকার স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে চূড়ান্ত উত্তরণের (গ্র্যাজুয়েশন) পর বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতায় রপ্তানি সক্ষমতা ও শুল্কমুক্ত সুবিধা ধরে রাখতে তিন কৌশল বাস্তবায়নে জোর তৎপরতা শুরু করেছে সরকার। এর মধ্যে বিদ্যমান সুবিধা ধরে রাখতে অগ্রাধিকারভিত্তিতে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে এফটিএ, সেপা, পিটিএ সম্পন্ন করা; প্রধান বাণিজ্য অংশীদারদের কাছ থেকে পাওয়া শুল্কমুক্ত ও কোটামুক্ত সুবিধার সর্বোচ্চ ক্রান্তিকাল বা মেয়াদ বাড়ানো এবং জিএসপি প্লাসের মতো এলডিসি বহির্ভূত স্কিমের কমপ্লায়েন্স শর্ত পূরণে জাতীয় মান অবকাঠামো তৈরি (এনকিউআই), মান যাচাই ও সনদ প্রদানের সক্ষমতার উন্নয়ন। https://www.deshrupantor.com/729920/%E0%A6%B0%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%A7%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%96%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%A8-%E0%A6%95%E0%A7%8C%E0%A6%B6%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0

uploads/trade_daily/digest_photo_samaka_shulko__1792911474.jpg

সমকাল
শুল্ক না থাকলে রাজস্ব ক্ষতি হবে ১৭০০ কোটি টাকা সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন ছয় দেশের জোট গালফ কো-অপারেশন কাউন্সিলের (জিসিসি) সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) করার ক্ষেত্রে সব পণ্যের আমদানিতে শুল্ক-কর পুরোপুরি প্রত্যাহার করা হলে বাংলাদেশের প্রায় এক হাজার ৭০০ কোটি টাকা রাজস্ব ক্ষতি হতে পারে। এ ক্ষতি কমাতে সংবেদনশীল শিল্প ও উচ্চ রাজস্ব আদায়কারী পণ্যে আমদানি শুল্ক পুরোপুরি প্রত্যাহার না করে সীমিত পর্যায়ে ৫ শতাংশ রাখার সুপারিশ করা হয়েছে সম্ভাব্যতা সমীক্ষায়। তবে এফটিএর ফলে বাণিজ্য বাড়লে দীর্ঘ মেয়াদে সম্ভাব্য রাজস্ব ক্ষতি কমানো বা সমন্বয় করা সম্ভব হবে বলে মনে করছেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা। এ জন্য পর্যায়ক্রমে শুল্ক কমানো বা ‘স্টেজিং’-এর মাধ্যমে রাজস্ব ক্ষতির তাৎক্ষণিক প্রভাব সীমিত রাখার সুযোগ রয়েছে। বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন (বিটিটিসি) বাংলাদেশ-জিসিসি এফটিএর সম্ভাব্যতা নিয়ে একটি সমীক্ষা প্রতিবেদন তৈরি করেছে। সম্প্রতি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে এক কর্মশালায় এ বিষয়ে আলোচনা হয়। https://samakal.com/economics/article/379564/%E0%A6%B6%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%95-%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AC-%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%A4%E0%A6%BF-%E0%A6%B9%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A7%A7%E0%A7%AD%E0%A7%A6%E0%A7%A6-%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%9F%E0%A6%BF-%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE

uploads/trade_daily/digest_photo_bd__1792911474.jpg

বিডিনিউজ২৪
সীমান্তে কঠোর বিধিনিষেধ, স্থল বাণিজ্যেও বিপর্যয়ের মুখে ইরান মার্কিন নৌ-অবরোধ এবং বিমান সংস্থাগুলোর ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞার কারণে ইরানের অধিকাংশ নৌ ও আকাশপথ আগেই বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। এবার তিন প্রধান প্রতিবেশী পাকিস্তান, ইরাক ও তুরস্ক সীমান্ত ক্রসিং বন্ধ এবং ট্রানজিট বিধিনিষেধ আরোপ করায় ইরানের স্থল বাণিজ্যও চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নালে গত শুক্রবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, পাকিস্তান, ইরাক ও তুরস্ক সীমান্ত ক্রসিংগুলো বন্ধ ও ট্রানজিট বিধিনিষেধ আরোপ করায় ইরানের স্থল বাণিজ্য পথগুলো চরম অস্থিতিশীলতা ও বাধার সম্মুখীন হচ্ছে। এই পরিস্থিতি দেশটির বৈদেশিক বাণিজ্যকে আরও সংকুচিত করার হুমকি তৈরি করেছে। https://bangla.bdnews24.com/world/v7c9c97siy

uploads/trade_daily/digest_photo_jnews__1792911474.jpg

জাগো নিউজ২৪
ইউরোপজুড়ে জেন-জিদের বিক্ষোভ, কেন ক্ষুব্ধ তারা? ইউরোপের বিভিন্ন দেশে বিক্ষোভে নেতৃত্ব দিচ্ছে তরুণ প্রজন্ম, বিশেষ করে জেনারেশন জি বা জেন-জি। শিক্ষায় অর্থের অভাব, বাড়িভাড়া বৃদ্ধি, জীবনযাত্রার ব্যয়, অনিশ্চিত কর্মসংস্থান এবং জলবায়ু সংকটসহ নানা কারণে ক্ষুব্ধ তারা। এসব বিক্ষোভ ইউরোপের বিভিন্ন দেশের সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে। একই সঙ্গে তরুণদের সঙ্গে আগের প্রজন্মের সুযোগ-সুবিধার ব্যবধান এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে হতাশার চিত্রও সামনে আসছে। https://www.jagonews24.com/international/news/1171485

uploads/trade_daily/digest_photo_inqui__1792911474.jpg

ইনকিলাব
টানা পাঁচ দিনের ছুটি শেষে আজ খুলছে অফিস-আদালত টানা পাঁচ দিনের সরকারি ছুটি শেষে আজ রোববার (২৫ অক্টোবর) থেকে খুলছে সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস। একই সঙ্গে শুরু হচ্ছে ব্যাংক ও আদালতের নিয়মিত কার্যক্রম। https://dailyinqilab.com/national/news/954811

uploads/trade_daily/digest_photo_amar_dsh__1792911474.jpg

আমার দেশ
আমদানি কমছে মূলধনি যন্ত্রপাতির আমদানিতে প্রবৃদ্ধি ঘটলেও সে তুলনায় আসছে না মূলধনি যন্ত্রপাতি। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে (জুলাই-আগস্ট) আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় আমদানি বেড়েছে ১২.২০ শতাংশ। তবে এ সময়ে মূলধনি যন্ত্রপাতি আমদানি কমেছে ৩২.৪৭ শতাংশ। এর ফলে নতুন বিনিয়োগ ও কারখানা সম্প্রসারণের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। https://www.dailyamardesh.com/business/import-export/amd63cr70cqzm

uploads/trade_daily/digest_photo_d_times__1792911740.jpg

ঢাকা টাইমস২৪
সাইবার নিরাপত্তাঝুঁকি এড়াতে বন্ধ ওয়েবসাইট চালু করল বাংলাদেশ ব্যাংক সাইবার নিরাপত্তাঝুঁকির কারণে সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার পর পুনরায় চালু হয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট। আজ রবিবার (২৫ অক্টোবর) সকাল ৮টা থেকে ওয়েবসাইটটি সচল হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান। এর আগে গত বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) জরুরি নিরাপত্তাঝুঁকির কারণে ওয়েবসাইটটি সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়। পিএইচপি প্রোগ্রামিং ভাষার নিরাপত্তা ত্রুটি থেকে সম্ভাব্য সাইবার হামলার ঝুঁকি এড়াতে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। https://www.dhakatimes24.com/2026/10/25/415726

uploads/trade_daily/digest_photo_agami__1792911740.jpg

আগামীর সময়
চীন যেভাবে সারা বিশ্বের কারখানা এই যে এশিয়া মহাদেশের একটি দেশ ধীরে ধীরে বিশ্বের কারখানায় পরিণত হলো, এর ম্যাজিকটা কী? সহজ সরল কোনো থিওরি ছিল না। সরকারের উদার নীতি, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা আর সস্তা শ্রমজীবী মানুষের আন্তরিক অংশগ্রহণ। আমেরিকার মতো ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্টকে জোর করে ধরে নিয়ে আসা কিংবা ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ বাধিয়ে দেওয়ার মতো কোনো ঘটনা ঘটেনি চীনের ক্ষেত্রে। https://www.agamirsomoy.com/economics/5znoxfgfczqo

uploads/trade_daily/digest_photo_samakal__1792911740.jpg

সমকাল
ইঞ্জিন সংকটে পণ্যবাহী ট্রেনের সাশ্রয়ী সেবা সহজে মেলে না সড়ক কিংবা নৌপথে পণ্য আনা-নেওয়ার চেয়ে মালবাহী ট্রেনে পণ্য পরিবহন অনেক বেশি সাশ্রয়ী। তবে রেলওয়ের এই সেবা সহজে মেলে না। কয়েক বছর ধরে রেলওয়ে এই খাতে পর্যাপ্ত সেবা তো দিতে পারছেই না; উল্টো সক্ষমতার হার ধীরে ধীরে সংকুচিত হয়ে পড়ছে। পাঁচ বছরে ট্রেনে পণ্য পরিবহন সক্ষমতা অর্ধেকে নেমে এসেছে। রেলওয়ে নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর, ঢাকার কমলাপুর আইসিডি, সিলেট, রংপুর, দিনাজপুর, শ্রীমঙ্গল, বিভিন্ন অঞ্চলের বিদ্যুৎকেন্দ্র, জ্বালানি ডিপো, খাদ্যশস্য মজুতাগারসহ নানা অবকাঠামো। এসব এলাকায় কনটেইনার, জ্বালানি তেল, খাদ্যশস্য, আমদানি-রপ্তানি পণ্য, সার, পাথর, নির্মাণসামগ্রী, বিদ্যুৎকেন্দ্রের জ্বালানি, কৃষিপণ্য, শিল্পের কাঁচামালসহ বিভিন্ন পণ্য পরিবহন করে রেলওয়ে। তবে দীর্ঘদিনের অবহেলা আর গাফিলতিতে চাহিদার কাছাকাছিও পণ্য পরিবহন করতে পারছে না রেলওয়ে। এ নিয়ে বন্দর, কাস্টমস এজেন্ট ও ব্যবসায়ীদের তরফ থেকে রেলওয়েকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। https://samakal.com/whole-country/article/379590/%E0%A6%87%E0%A6%9E%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%A8-%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%95%E0%A6%9F%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A6%A3%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A7%80-%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%9F%E0%A7%80-%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%AC%E0%A6%BE-%E0%A6%B8%E0%A6%B9%E0%A6%9C%E0%A7%87-%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%A8%E0%A6%BE

uploads/trade_daily/digest_photo_d_post__1792911740.jpg

ঢাকা পোস্ট
আজকের বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার আজকের বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার (Today's Foreign Currency Exchange Rate October 25, 2026) এখানে প্রকাশ করা হয়। বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে পাওয়া। https://www.dhakapost.com/exchange-rate

uploads/trade_daily/digest_photo_d_tri__1792911740.jpg

বাংলা ট্রিবিউন
লিফট-ট্রান্সফরমারসহ বৈদ্যুতিক স্থাপনার পরীক্ষা-নিরীক্ষার ফি নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন বৈদ্যুতিক স্থাপনা ও সরঞ্জামাদি পরিদর্শন, পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং অনুমোদন নবায়নের ফি নির্ধারণ করে বিদ্যুৎ বিধিমালা, ২০২০ সংশোধন করেছে সরকার। নতুন নির্ধারিত ফি অনুযায়ী, ৫০ মেগাওয়াট নয়, ৫০ কিলোওয়াট বা তদূর্ধ্ব ক্ষমতাসম্পন্ন গ্রাহকের বৈদ্যুতিক স্থাপনা পরিদর্শন ও পরীক্ষার ফি উপকেন্দ্রের ক্ষমতাভেদে ২০ হাজার টাকা থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ৩০ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।একই সঙ্গে লিফট, এনার্জি মিটার, ট্রান্সফরমারের তেল পরীক্ষাকারী প্রতিষ্ঠান এবং বৈদ্যুতিক উপকেন্দ্রের সরঞ্জাম প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের পরিদর্শন ও পরীক্ষার ফিও নির্ধারণ করা হয়েছে। গত ১৫ অক্টোবর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের বিদ্যুৎ বিভাগ এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে। ১৭ অক্টোবর বাংলাদেশ গেজেটের অতিরিক্ত সংখ্যায় প্রজ্ঞাপনটি প্রকাশ করা হয়। https://www.banglatribune.com/business/power-and-fuel/976421/%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%AB%E0%A6%9F-%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%B8%E0%A6%AB%E0%A6%B0%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%B8%E0%A6%B9-%E0%A6%AC%E0%A7%88%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%95-%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B0

uploads/trade_daily/digest_photo_manab__1792911740.jpg

মানবজমিন
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদন : আমানত ও রেমিট্যান্সে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে ইসলামী ধারার ব্যাংক দীর্ঘদিনের চ্যালেঞ্জ ও স্থবিরতা কাটিয়ে ইতিবাচক ধারায় ফিরতে শুরু করেছে দেশের পূর্ণাঙ্গ ইসলামী ধারার ব্যাংকগুলো। জুলাইয়ের তুলনায় আগস্টে এসব ব্যাংকের আমানত, বিনিয়োগ, প্রবাসী আয় ও আমদানিতে প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে। তবে একই সময়ে রপ্তানি আয় কমেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান বিভাগের মাসভিত্তিক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। https://www.mzamin.com/article/52680